বাস্থব ঘটনা ও কল্পনার সমন্বয়ে সম্পাদকের বিশেষ রচনা

শয়তানের ডায়েরী
An organized Satanic Act!
(১ম পর্ব)-
”ঈমানে আমানে, সালামে সিয়ামে
সাচ্চা কোমল বান্দা,
তারা যদি কয়, মিছা অতিশয়
জনগণ মনে জাগে ধান্ধা।” 

কবিতাংশটিতে বর্ণচোরা মানুষদের চরিত্রের একটি নমুনা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিটি সমাজে মুখোশধারী মানুষের একটি ছোট দল থাকে। এই দলই মূলত: পুরো সমাজের বা কম্যূনিটির বিশৃঙ্খলা, ব্যাভিচার, ফিৎনা বা নানাবিধ অপকর্মের দায়িত্ব বহন করেঅনেক সময়ই ওদেরকে চিহ্নিতকরণ সহজ হয়ে উঠে না। আমরা যারা ধর্মে বিশ্বাস করি-শয়তানের উপস্থিতি বিশ্বাস করাও আমাদের দায়িত্ব। শয়তানের নানাবিধ ধোকা থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ধর্মের বিশ্বাসী মানুষ শয়তানের সংস্পর্শে থেকে দূরে থাকার জন্য শ্রষ্ঠার কাছে প্রার্থনা করে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে শয়তান তো সুপার স্পিরিট দিয়ে তৈরী নিরাকার এক জাতি। ওরা নিজেদেরকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপে পরিবর্তন ও উপস্থাপন করার ক্ষমতা রাখে। তাই প্রতিটি সমাজে বা কম্যূনিটিতে বর্ণচোরাদের উপর আছড় করে ওরা ওদের কর্ম সম্পাদন করে। যেহেতু বর্ণচোরাদের কাজ হচ্ছে সমাজের ক্ষতি করা এবং শয়তানের কাজও হচ্ছে সমাজের ধ্বংস করা সুতরাং তাদের মধ্যে কাজের কোন সমস্যা বা Conflict of Interest হয় না। ওরা সুচারূ রূপে ওদের অপারেশন পরিচালনা করে থাকে।
প্রিয় পাঠক, আমরা যারা বড় হয়ে বাংলাদেশ থেকে এসেছি, আমাদের সকলেরই ‘শয়তানের ডায়রী” নামে একখানা বড় পুস্থকের কথা মনে থাকার কথা। বাংলাদেশের প্রতিটি লাইব্রেরী বা বই প্রেমিকদের সেলফে বইখানা দেখা যেত। এখনও সেই পুস্থকখানা আছে কিনা অথবা তার কদর আগের মত আছে কিনা তা জানা নেই। তবে কদর যে কমবে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কেন কদর কমবে? প্রতিটি পুস্থকের একটি সারাংশ ও নীতি কথা থাকে এবং সেই সারাংশে পাঠকের জানার বা শিক্ষার উপকরন থাকে। ”শয়তানের ডায়রী” পুস্থকখানাতে বর্ণচোরা মানুষরূপী শয়তানদেরকে চিহ্নিত করণের যে উপকরণ ছিল তা দীর্ঘদিন সাধারন মানুষের উপকার করে আসছিল তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কিন্তু দিন বদলের সাথে সাথে শয়তানের বংশ বৃদ্ধি কোটি কোটি ছাড়িয়ে যাওয়ায় ডায়রীর কদর যে কমেছে সেটাই স্বাভাবিক। শয়তানের ডায়রীখানা অনেকগুলো ছোট ছোট ঘটনা দিয়ে সাজানো ছিল যা সত্যিই বিস্ময়কর ও শিক্ষণীয়। শয়তান কিভাবে তিলকে তাল করে, তুচ্ছ ঘটনাকে লংকাকান্ডে রূপ দিয়ে সমাজকে কলুষিত করে, মানুষে-মানুষে বিভেদ, ফিৎনা, সংসারে অশান্তি সৃষ্টিকরণ, মহিলাদের অপমান, মানুষকে কুশিক্ষা দেওয়া, ধর্ম থেকে দূরে থাকা, কুশিক্ষা আত্মস্থ করা বা শিক্ষা থেকে দূরে থাকা, অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ পোষন করা, শয়তানের সাথে দোস্থী করা ইত্যাদি ইত্যাদি ছোট ছোট চমকপ্রদ ঘটনা দিয়ে বইখানা সাজানো ছিল। বইখানা যিনি লিখেছিলেন তাঁর নাম মৌঃ ফজলুর রহমান , হয়তো আজ আর বেচে নাই। তিনি নিজে শয়তান দেখেছেন বলেও উল্লেখ করেননি যদিও ছোট ছোট শয়তানী ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নিখুঁতভাবে বইখানা লিখেছিলেন। ঘটনাগুলোর অনেকগুলো আবার লোমহর্ষক বর্ণনা সম্বলিত, মনে হত লেখক চাক্ষুস ঘটনার স্বাক্ষী
তিনি শয়তান না দেখে থাকলেও ঘটনাগুলোর পেছনে যৌক্তিকতা এবং বিভিন্ন ধর্ম ও লোক সংস্কৃতিতে শয়তানের উপস্থিতি ও কর্মকান্ডের ধারা বর্ণনা তাঁর পুসত্দকখানাকে মানুষের কাছে আদৃত করেছিল। অনেক ক্ষেত্রেই পাঠক নিজেকে অনেক ঘটনার স্বাক্ষী মনে করেন যা  পুস্থকের চরিত্রের বা ঘটনার সাথে মিলে যায়। শয়তানের ডায়রীর অনেক ঘটনার মধ্য থেকে ছোট্ট একটি ঘটনা এখানে তুলে ধরছি। শয়তান কিভাবে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে সাজিয়ে ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা করে, তিলকে তাল করে  তার উদাহরণ ছিল এই ঘটনাতে।

( ২য় পর্ব)-

শয়তান কিভাবে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে সাজিয়ে ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা করে, তিলকে তাল করে  তার উদাহরণ ছিল এই ঘটনাতে ঘটনাটি এরকমঃ ল্যাম্প পোষ্টের গায়ে হেলান দিয়ে বসেছেন একজন ব্যক্তি, নাকের সর্দি ঝেড়ে ফেলে হাতটি মুছলেন ল্যাম্প পোষ্টে। একটু পরেই আরেকজন পান চিবোতে চিবোতে এসে বসলেন ল্যাম্প পোষ্টের কাছে। হাতের চুন ল্যাম্প পোষ্টে মুছতে গিয়ে প্রথম ব্যক্তির সর্দি মুছার জায়গায় আঙ্গুল মুছে আবার মুখে দিলেন। চুনের সাথে সর্দি মিশ্রিত এক বিশ্রী স্বাদ তার জিহ্বায় লাগার সাথে সাথে ‘ওয়াক থু’ বলে পাশের লোকের উপর চড়াও হলেন।

পাশের লোক নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করছেন। তখন ২য় ব্যক্তি বলছেন ”এখানে তো আর কেউ ছিল না- তাজা সর্দি তুমি ছাড়া এখানে আসবে কোত্থেকে?” বলেই আরও তেড়ে আসলেন। এ সময় শয়তান দূরে দাড়িয়ে ঘটনা দেখছিল। সে এলাকার এক ছ্যাচ্চর মাস্তান কে বুঝিয়ে সুঝিয়ে কিছু খাবার হাতে দিয়ে ঘটনাস্থলে পাঠালো। ৩য় ব্যক্তি (মাস্তান )ল্যাম্পপোষ্টের কাছে এসে খেতে খেতে ১ম এবং ২য় ব্যক্তির তর্ক শুনছিলঐ সময় একটি বড় মাছি সর্দি মিশ্রিত চুনের উপর বসে আবার উড়ে এসে  মাস্তানের (৩য় ব্যক্তির)  খাবারে বসলো। শয়তান সুযোগের অপেক্ষায় ছিল, দৌড়ে এসে কানে কানে মাস্তানের (৩য় ব্যক্তিকে ) বললো ”ওদের জন্যই তো তোমার সব খাবার নষ্ট হয়ে গেল, তুমি ওদেরকে ছেড়ে দিবে?” তৎক্ষণাত মাস্তান ১ম ও ২য় ব্যক্তির গালে কষে ২টি চড় লাগালো। অবস্থা তখন কন্ট্রোলের বাহির। দূরে থেকে শয়তান তৃপ্তির হাসি হাসলো, এতক্ষন তো সে এই সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিল, মুহুর্তেই তিনজনের (১ম , ২য় এবং  ৩য় )তিন গ্রামের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে খবরটি পৌছে দিল শয়তান লাঠি সোটা বন্দুক নিয়ে ৩ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ মুখোমুখী , মারামারিতে শত শত লোক হতাহত হলো। থানা পুলিশ আসলো। ল্যাম্প পোষ্টের তুচ্ছ ঘটনাটি শয়তানের প্ররোচনায় অত্র এলাকায় দীর্ঘ দিনের এক সামাজিক অশান্তির জন্ম দিল। শয়তান তার কাজের সফলতার জন্য তৃপ্তির নিঃশ্বাস ছাড়লো।
প্রিয় পাঠক শয়তানের ডায়রী’র এটি একটি ছোট্ট ঘটনা মাত্র। আমি মাঝে মধ্যে অনেক জটিল ঘটনা নিয়ে আমার এক বন্ধুর দ্বারস্থ হই। জগতের সকল কঠিন প্রশ্নের উত্তর তার কাছে খুব সহজেই পাওয়া যায় । আর যাই হোক  বন্ধুটি যে কিছু জানে তা স্বীকার করতেই হয় । শয়তানের ডায়রীর কিছু প্রসঙ্গ নিয়ে তার জ্ঞানের গভীরতা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি যা আগামী সংখ্যায় আলোচনা করবো।

 ( ৩য় পর্ব- শয়তানের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, দূর্বুদ্ধি, আত্মীয়তা )-

বেশ ক‘দিন পর আমার বন্ধুর সাথে আবারও দেখা। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। সুযোগ বুঝেই তাকে প্রশ্ন করেছিলাম “শয়তানের ডায়রী” সে পড়েছিল কিনা বা এখনও মনে আছে কিনা? উত্তরে বললো “ওটাতো অনেক পুরনো ঘটনা, ছোট ছোট শয়তানের ছোট ছোট ব্যক্তিগত ঘটনা দিয়ে ওগুলো সাজানো ছিল। এখনতো এর ইন্টারন্যাশনাল ভারশন বের হয়েছে। তুমি পড়োনি?” উত্তরে বললাম না আমি দেখিনি, একটু খুলে বলবে কোথায় পাওয়া যায় বা কি লিখা আছে? উত্তরে বন্ধুটি বললো তোমার জন্য ওটা সংগ্রহ করা বেশ কঠিন হবে। আমার কাছ থেকেই সারাংশ শুনে নাও। এই বলেই তার স্বভাবজাত নিয়মে চোখ বন্ধ করে শয়তানের ইন্টারন্যাশনাল ভারশন বলতে লাগলো। “শয়তানের বংশ বিস্তার কিভাবে হয় তা একমাত্র আল্লাহ তালাই ভাল বলতে পারবেন।তবে একটি বিষয় জেনে রাখো শয়তানের মধ্যে কোন মা বাবা ভাই-বোনের সম্পর্ক নাই। তাদের মধ্যে একটি রসালো বা রশিকতার সম্পর্ক বিদ্যমান। তা হতে পারে বেয়াই, শ্যালক, দুলাইভা। দুই সতীন, শালার শালা ইত্যাদি। এদিক দিয়ে শয়তানদেরকে ধন্যবাদ দিতে হয় যে, মা বাবা’র মত কোন পবিত্র সম্পর্ক তাদের মধ্যে নাই। যাই হোক এই রশিকতার সম্পর্ক আছে বলেই তাদের দ্বারা লোমহর্ষক বা লজ্জাস্কর কর্ম, ব্যভিচার, কুকর্ম, জিনা, ইত্যাদি একসাথে করা সম্ভব হয়। তাদের নিজস্ব একটি ভাষা আছে যা সাধারণের বোধগম্য হওয়া দুরুহ। ওরা যখন কথা বলে মানুষকে ধোকা দেয় তখন ওদের মোলায়েম ব্যবহার ফেরেস্তাকেও হার মানায়। ওরা হ্যান্ডশ্যাক করার সময় হাতের কোমলতা বজায় রাখে। মানুষের মত ফার্ম হ্যান্ডস্যাক ওরা করতে পারে না। বন্ধুকে থামিয়ে বললাম “তবে কি তুমি বলতে চাও কোমল ভাবে হ্যান্ডশ্যাককারী সবাই শয়তান?” উত্তরে বন্ধুটি বললো “তা হতে যাবে কেন, ভাল মানুষ যারা কোমল ভাবে হ্যান্ডশ্যাক করে তাদের সাথে শয়তানের পার্থক্য বিস্তর। শয়তানের হ্যান্ডশ্যাক, চলনের কোমলতা, বাঁচন ভঙ্গি এবং শয়তানী কর্মকান্ডের মধ্যে যে নিখুত সমন্বয় রয়েছে তা মানুষের দ্বারা কখনও হওয়া সম্ভব নয়। ওরা ফার্ম হ্যান্ডশ্যাক করে না এই জন্য যে পাছে ধরা পড়ে যায়। ওদের হাতে ব্যভিচারের দাগ, চামড়ার নীচে দুষিত রক্ত, ওদের চরিত্রে একটি ভ্রান্ত (ফেইক) চৌম্বকীয় শক্তি রয়েছে যা দিয়ে ওরা ভাল মানুষকে কাছে টানে তারপর একটি নির্দিষ্ট সময়ে ওরা অলৌকিক ভাবে মানুষের উপর আছড় করে নিজের দলের বানিয়ে নেয়। যারা প্রচন্ড আত্মনির্ভরশীলতায় বলীয়ান এবং সৎ ও নিষ্টঠাবান তারাই একমাত্র এই প্রক্রিয়াকরণ থেকে বের হয়ে আসতে পারে। তবে দুঃসংবাদ হচ্ছে এই যে শয়তান  তাদের হাতিয়ার ব্যবহার করেও যাদেরকে তাদের দলের বানাতে পারে না তাদের বিরুদ্ধে ওরা সর্বশক্তি নিয়োগ করে মরিয়া হয়ে লেগে যায় তবে তাদের পরিনতি তো শয়তানেরই পরিনতি। ন্যায়ের পথে থাকা আল্লায় বিশ্বাসী বান্দারা ঠিকই “আউযুবিল্লাহি মিনাস শাইত্যায়ূনুর রাহিম” বলে নির্বিঘ্নে আত্ম রক্ষা করে।

(৪র্থ পর্ব- শয়তানের আন্তর্জাতিক সংস্করন)

“বন্ধুকে আবারও থামিয়ে বললাম- তুমিতো শয়তানের ব্যবহার শনাক্ত করনের কিছু নমূনা আর আচার আচরনের কথা বললে, ইন্টারন্যাশনাল ভারশন বা আন্তর্জাতিক সংস্করন  নিয়ে তো কিছুই বললে না।” আমার প্রশ্ন শেষ করতে না দিয়েই বললো, আন্তর্জাতিক সংস্করনে শয়তানদেরকে মূলতঃ ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমটি হচ্ছে (১) ইন্টারন্যাশনাল শয়তান (২) আভ্যন্তরিন বা ডমেষ্টিক ও সমপ্রদায়ীক শয়তান (৩) কমুনিউটি শয়তান (৫) ব্যক্তিগত বা (Individual ) শয়তান। আগে শয়তানের কাজ কোন নির্দিষ্ট পদ্ধতির মধ্যে বেধে দেওয়া ছিল না। যে যার ইচ্ছামতো কাজ করতো, এমনকি একজনের কাজ অন্যজন ছিনিয়ে নিয়েও করতো। এখন ওদের কর্ম পদ্ধতিতে সুশৃঙ্খল ভাবে সাজিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ Organized and Institutional রুপ দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় মডার্ণ টেকনোলজিসহ সকল রিসোর্স ব্যবহার করে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে দক্ষ শয়তান (Well Trained  তৈরী করা হয়েছে। এই দক্ষ শয়তানদের মধ্যে নাশকতা সম্পন্ন তীক্ষ্ম বুদ্ধির (sharp & destructive knowledge ) শয়তানদেরকে লিডারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওদের কর্মসীমানাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ওদের যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন সুপার নেট (Super net  যা ইন্টারনেটের চেয়ে অনেক বেশী ক্ষমতাশালী এবং আলোক রশ্মিক গতির সমপর্য্যায়ের )  তৈরী করা হয়েছে। ওরা সুপার নিউক্লিয়ার-ওয়াট ভোল্টেজ সম্পন্ন (Super-nuclear-watt voltage)  এক অদৃশ্য মারনাস্থ ব্যবহার করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইন্টেলিজেন্ট সাপোর্ট গ্রুপ (Intelligent Support Group)  তৈরী করা হয়েছে। এই গ্রুপ র মূল দায়ীত্ব হচ্ছে উল্লেখিত ৪ ক্যাটাগরীর শয়তানদেরকে মনিটর করা এবং Onsite Technical Support  ev Intelligent support প্রদান করা।” বন্ধুটিকে আবারও থামিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম “তুমি যে ৪ ক্যাটাগরীর শয়তানের কথা বলছো তাদের কর্ম সম্পর্কে কি আন্তর্জাতিক সংস্করণে কিছু বলা হয়েছে?” আমার কাঁধে একটি ঝাকুনি দিয়ে বন্ধুটি আবারও বলতে লাগলো “শয়তানের কৃত অনেক কর্ম ও ঘটনা আমরা জ্ঞাত এবং সব সময়ই দেখে থাকি। কিন্তু ওগুলোর পেছনে কত সুক্ষ্ম পরিকল্পনা রয়েছে তা আমাদের ক্ষুদ্র মস্তিস্কে বুঝে উঠা কঠিন। ওদের ক্ষমতা এত অপরিসীম যে ওরা মানুষের মধ্যে লুকিয়ে থেকে মানুষের ক্ষতি করে। ওরা মানুষের উপর আছড় করে মানুষ দিয়ে নিজের কর্ম সম্পাদন করে। তুমি কি বিশ্বাস করবে আমাদের  পার্লামেন্টে যে আইন প্রণয়ন হয় ওখানেও ওদের আধিপত্য বিস্তার থাকে? ওরা প্রভাবশালী মন্ত্রী এমপিদের উপর আছড় করে পার্লামেন্টে গিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো আইন পাশ করে নেয়। আপাতঃ দৃষ্টিতে মনে হবে সব কিছুই জনগনের জন্য করা হচ্ছে কিন্তু মূলতঃ ওদের দূরঅভিসন্ধি কারও চোখে ধরা পড়ে না। এই আইনটি হয়তো পরে দেখা যাবে কালো আইন হিসাবে চিহ্নিত হচ্ছে। এবার তোমার প্রশ্নের উত্তরে আসছি বলে সিগারেটে আরেকটি টান দিয়ে বলতে লাগলো। “বইটিতে আন্তর্জাতিক শয়তানীর হাজারও ঘটনার মধ্যে একটি ঘটনা তোমাকে তুলে ধরছি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ (সিনিয়র) ২য় বার নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর তার অসম্পন্ন কর্ম সম্পাদন করার জন্য শয়তানের হাইকমান্ড থেকে নির্দেশনা আসে ইন্টারন্যাশনাল ক্যাটাগরীর শয়তানদের কাছে। মধ্য প্রাচ্যের সকল দেশকে ভেড়া বানিয়ে রাখা হয়েছে কিন্তু সাদ্দামকে কোনভাবেই কাবু করা যাচ্ছে না। একটি স্পেশাল টাস্কফোর্স তৈরী করে ১০ বৎসর সময় দিয়ে কর্ম সম্পাদনের নির্দেশ দেওয়া হয়। টাস্কফোর্স সিদ্ধান্ত গ্রহন করে যে উপযুক্ত একজন মানুষকে সিলেকশন করে টাস্কফোর্সের চীফ তার উপর আছড় করবে। আছড় সম্পন্ন হলে তাকে দিয়েই টাস্কফোর্সের পরিকল্পনামত কাজ চলবে ।

 ( ৫ম পর্ব- শয়তানের আন্তর্জাতিক সংস্করন)

একটি ষ্পেশাল ট্রাস্কফোর্স তৈরী করে ১০ বৎসরের সময় দিয়ে কর্ম সম্পাদনের নির্দেশ দেওয়া হয়। ট্রাস্কফোর্স সিদ্ধান্ত গ্রহন করে যে, যে কোন একজনকে Selection  করে ট্রাস্কফোর্সের চীফ তার উপরে আছড় করবে। আছড় সম্পন্ন হলে ট্রাস্কফোর্সের পরিকল্পনা মতো কাজ চলবে। পরিকল্পনানুযায়ী জর্জ বুশ (জুনিয়র)কে বেচে নিয়ে আছড় সম্পন্ন হয়, আল গোরের জনপ্রিয়তায় কাছে বুশের পরাজয় যখন নিশ্চিত তখন উপায়ান্তর না দেখে বিচারকের উপর তাৎক্ষনিক আছড় করা হয় রায় হয়ে যায় বুশের পক্ষে। আল গোর উপায়ন্তর না দেখে মন্তব্য করে “ I am not agree with this judgment. But I accept it ‘ বিজয়ী ঘোষনা করা হয় জর্জ বুশ জুনিয়রকে। পৃথিবীর মানুষ জর্জ বুশকে দেখে হাত তালি দেয় আর শয়তানের কন্ট্রোল রুম থেকে ট্রাস্ক ফোর্সের জন্য  উপঢোকন পাঠিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয় । পরিকল্পনা মত জেনারেল রামোস  উপরও আছড় সম্পন্ন হয়। ইরাকে যুদ্ধ চালানোর কোন অজুহাত না পেয়ে আছড় করে থাকা ট্রাস্কফোর্সের হেড (বুশকে দিয়েই) বলানো হয় Find a way to attack শয়তানের কন্ট্রোল রুম থেকে সুপারনেটে WMD (Weapon of mass destruction )এর IDEA  পাঠানো হয়।

ফ্রান্সের একগুয়েমিতে জাতি সংঘের ব্যবহার যখন  রুদ্ধ হয় তখন কন্ট্রোল রুম থেকে বুশ রুপী ট্রাস্কফোর্সের হেডকে একাই মাঠে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে ভবিষ্যত অনিশ্চয়তা দেখে কন্ট্রোলরুম থেকে আরেকটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ফোর্স গঠন করে ব্রেয়ারের উপর আছড় করে বুশকে সাহায্যের নির্দেশ দেয়া হয়। ব্লেয়ারের পূর্ব পুরুষদের অনেকের সাথেই আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল বিধায় খুব সহজেই ব্লেয়ারের উপর আছড় সম্পন্ন হয়। রাতারাতি বুশের সাহায্যে ব্লেয়ারের ফোর্সকে কাজে লাগানো হয়। তারপরের ঘটনাতো সবাইরই জানা ট্রাস্কফোর্সের নির্দেশনা মতে ডমেষ্টিক শয়তান খুব সহজেই আছড় করে ইরাকীদের উপর।সাদ্দামের বিচার সম্পন্ন করে ফাসিতে ঝুলানো হয়। আমি আমার বন্ধুকে থামিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করলাম “এই এত কিছু ঘটে গেল শয়তানের বুদ্ধিতে অথচ আল্লাহর রহমত ওয়ালা মানুষজন কি পৃথিবীতে নেই, কেউ কি এটা ঠেকাতে পারলো না? শয়তান কি তাহলে সর্ব ক্ষমতার অধিকারী?” আমার ইমোশন দেখে বন্ধুটি একটু হাসলো, তারপর বলতে লাগলো “তুমি তো একজন সাচ্চা মুসলমান, বন্ড নও, তুমি অবশ্যই মানো শয়তানকে আল্লাহই এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন;  মানুষ ও শয়তানকে প্রতিদ্বন্দি করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। প্রথিবী আজ পাপে টলমল তাই শয়তানের দল বেশী এবং শয়তানও মানুষের চেয়ে বেশী তবে একটা সময়ে আল্লাহ তার  প্রিয় বান্দাদেরকে শয়তানের উপরে বিজয়ী করে থাকেন বা থাকবেন এটি নিশ্চিত। তাকে আমি বললাম তোমার কথা কি ভাবে মানবো,  বুশের তো কিছুই হয় না?” সে আবারও আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললো “তোমার মেমোরি দেখছি বেশ লোপ পেয়ে গেছে”। বুশের পাপে সারা পৃথিবী টালমাটাল হয়ে গেল তারপর তার সর্বশেষ পাওনা কিভাবে জুতা মেরে পরিশোধ করা হয়েছিল দেখোনি? ওটা ছিল সাচ্ছা ঈমানদার মুসলমানদের কাজ নয়?  এরকম আত্মবিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা কম ছিল বলেই মানুষরুপী বুশ এতদুর এগুতে পেরেছিল। যাই হোক শেষ বিজয়টা যে মানুষের হবে তা নিশ্চিত। এখানে মজার একটি ঘটনা তোমাকে বলি শয়তান কিন্তু মানুষ জাতির সকল ধর্মে বিশ্ববাসীরই দুশমন। বুশকে দিয়ে সকল কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে ইরাকে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে আছড় Withdrew করে ট্রাস্কফোর্স হেডকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সুতরাং ইরাকে বুশের উপর যে জুতা নিক্ষেপ হয় তা Actual  বুশের উপরই পড়ে শয়তানের ট্রাস্কফোর্স হেড এর উপরে নয়। এতো গেল  একটি মস্তবড় কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। এরকম হাজারও ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে। ওবামাকে আছড় করে মিডল ইস্ট  কাজ সম্পন্ন হবে কি না তার এসেসম্যান্ট চলছে। ২য় বার ক্ষমতায় যেতে পারলে হয়তো শীঘ্রই আছড় সম্পন্ন হবে।

( ষষ্ঠ পর্ব- শয়তানের আন্তর্জাতিক সংস্করন-)

এবার তোমাকে ডমেষ্টিক শয়তানদের দুটি ঘটনা বলি৷ ঘটনা দুটোর সাথে আমরা সবাই পরিচিত৷ শুধু এর পিছনে Organized Satanic plan কিভাবে কাজ করে তা আমাদের জানা নেই৷ বাবরী মসজিদের উপর আঘাত হানার সিদ্ধান্ত নিয়ে হাই কমান্ডের নির্দেশ পাওয়ার পর পরই ডমেষ্টিক ফোর্স দায়ীত্ব গ্রহন করে ৷ আদভানী ও বাজপেই  দেহে মূলতঃ এক স্পেশাল গ্রুপের শয়তানদের জিন বিদ্যমান- তাদের পূর্ব পুরুষরা মূলতঃ শয়তানদেরই এক নীচু জাতের বংশধর৷ তাই তাদের উপর মাত্র কয়েক ঘন্টায়  আছড় সম্পন্ন হয়৷ আদভানী বাজপেইর প্ল্যান এবং শয়তানের প্ল্যান compatible  হওয়াতে তড়িৎ কাজ সম্পন্ন হয়৷ অল্প দিনের মধ্যেই উগ্র সমপ্রদায়ীকতার তীব্র উন্মাদনা সৃষ্টি করে বাবরী মসজিদের ভাঙ্গন সম্পন্ন হয়৷ এ সময়ে কংগ্রেসের দুর্বল চিত্তের নেতাদেরকে দিয়ে কোন রুপ বাধা সৃষ্টি করানো থেকে কংগ্রেসকে দুরে রাখা হয়৷ অন্যান্য দল মুখে কিছু না বললেও আদভানী ও  বাজপেয়ীদের অভিমানে পরক্ষ মদদ দিয়ে যায়৷ বাজপেয়ী যেদিন ভারতের প্রধান মন্ত্রীর দায়ীত্ব গ্রহন করে সেদিন শয়তানের চুড়ান্ত বিজয় দিবস ঘোষনা করে কন্ট্রোল রুম থেকে ডমেষ্টিক শয়তানের বুরো প্রধানকে Order of India’s Satanic Command Award প্রদান করা হয়৷ বাবরী মসজিদের ঘটনার সময় আরেকটি ঘটনা নীরবে ঘটে বাংলাদেশে৷ স্বেচ্চাচারী এরশাদের পরাজয়ের লক্ষ্যে আপামর জনতা তখন ক্ষেপে উঠেছে৷ ঘটনাকে অন্য দিকে মোড় দিতে এরশাদ সাহেব তখন শয়তানের হাইকান্ডের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন৷ নিয়াজীর উপর আছড় করে শয়তানের যে কমান্ডো প্রধান ফিল্ড মার্শাল কাইউ শয়তান বাংলাদেশে হত্যা আর ধর্ষন চালিয়েছিল তার সাথে ১৯৭১ সালে রাওয়াল পিন্ডিতে এরশাদ সাহেবের সাক্ষাত্‍ হয়েছিল৷ এরশাদ সাহেবের এই বিপদে সাহায্যের জন্য হাইকমান্ডের কাছে কাইউ শয়তান তদবির  করে , কাজও হয়ে যায়৷ কাইউকেই এরশাদের সাহায্যে ঢাকায় ডমেষ্টিক Incharge of Saitan করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়৷ রাতের ভিতরে কয়েকটি মাস্তান গ্রুপ তৈরী করে পুরান ঢাকায় মন্দির ভাঙ্গার কাজে নামানো হয়৷ ঢাকেশ্বরী মন্দির ভাঙ্গা হয়৷ সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালানো হয়৷ কিন্তু দুঃখের বিষয় এটাই যে ১৯৭১ এ যে ভাবে  নিয়াজীকে দিয়ে কু কর্ম  সব করিয়ে কাইউ শয়তান আত্মসমার্পনের সময় তার আছড় তুলে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে ছিল ঠিক একি ভাবে ঢাকেশ্বরী মন্দির ভাঙ্গার পর জনতার সামনে টিকতে না পেরে কাইউ শয়তান  এরশাদ সাহেবের কাছ থেকে দৌড়ে পালায়৷
তোমাকে আরেকটি ঘটনা বললে ডমেষ্টিক বা সামপ্রদায়িক শয়তানদের কর্ম তৎরতা তোমার বুঝতে সুবিধা হবে৷ বাবরী মসজিদের ঘটনার পর দীর্ঘদিন ধরে তেমন কোন বড় মাপের কর্ম ভারতে সম্পাদন না হওয়ায় শয়তানের হাইকমান্ড থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়৷ তখন থেকেই গুজরাটের উপর দৃষ্টি নিক্ষেপ হয়৷ মূলতঃ মানবতাবাদী মহান নেতা মহাত্মাগান্ধীর জন্মস্থানকে কলুষিত করাই মূখ্য উদ্দেশ্য৷ গুজরাটের জনগন বেশির ভাগই নিরামিষ বুঝি হওয়া সত্বেও ধর্মন্ধদের সংখ্যা বিশাল৷ এরই মধ্যে কিছু লোক শয়তানের পূর্বপুরুষদের বংশধর৷ নরেন্দ্রমোদীর পূর্বপুরুষদের অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তি শয়তানের সরাসরি বংশধর এবং দীর্ঘ দিন ধরে ভারতে শয়তানের হাইকমান্ডের নির্দেশ পালনে তাদের রয়েছে
Success Story . নবাব সিরাজ দ্দৌলাকে অপসারন ও হত্যা পরিকল্পনাতে সহায়তার জন্য মীর জাফর আলী খা’র উপর আছড় সম্পন্নকারী মূল শয়তান দাইউর সাথে নরেন্দ্র মোদীর রয়েছে রক্তের সম্পর্ক৷ সুতরাং নরেন্দ্রমোদীদের Perfect Representative  নির্ধারন করে হিন্দু ঊগ্র জাতীয়তাবাদকে উসকে দিয়ে নির্বাচন পাশ করিয়ে  ক্ষমতায় নিয়ে আসা হয়৷ পূর্নাংগ আছড় সম্পন্ন করে কপালে তিলক পড়িয়ে ক্ষমতায় বসানো হয়৷ নরেন্দ্্মোদী ক্ষমতায় বসার পর থেকে বিভিন্ন চেষ্টা করেও কোন সুযোগ পাওয়া যাচ্ছিল না৷ পাকিস্তানী শয়তানরা মাঝে মধ্যে চোরা গোপ্তা হামলা চালায় । একই পথ অনুসরন করে একটি পিচ্ছি ছ্যাচড়া শয়তানকে দায়ীত্ব দিয়ে গুজরাটের ট্রেনের ভিতরে আগুন লাগানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়৷ ও সফলতার সাথে কর্ম সম্পাদন করে৷ শয়তানের মিডিয়া গ্রুপকে আগেই তৈরী করা হয়েছিল, সুপারনেটের মাধ্যমে মুহুর্তেই সংবাদ প্রচার করে বলা হয় গুজরাটের মুসলমানরা এই আগুন লাগিয়েছে৷ শয়তানের জিন বহন কারী গুজরাটের ধর্মান্ধরা মুহুর্তেই ঝাপিয়ে পড়ে মুসলমানদের উপর৷ দুই হাজার মুসলমানকে কচুকাটা হয়৷ যুবতীদেরকে ধর্ষন করা হয়, এমনকি জোর করে একসাথে ধরে এনে “রাম নাম সাচ্ছে হ্যায়” বলিয়ে তার পর আগুন লাগিয়ে হত্যা করা হয়৷ নরেন্দ্র মোদীর উপর আছড় করে থাকা শয়তানের নির্দিশে পুলিশ নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে৷ এরকম অনেক ছবিই মিডিয়াতে বড় করে ছাপানো হয়েছে ৷ হাজার হাজার মুসলমানরা ঘরবাড়ী হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন বেছে নেয়৷ এদিকে শয়তানের হাইকমান্ডের নির্দেশে নরেন্দ্রমোদী পুলিশ প্রধানকে প্রমোশন দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়৷ নরেন্দ্রমোদীকে খুনী সাব্যস্থ করে আমেরিকা ভিসা প্রদান না করলেও গুজরাটের মানুষ তার কর্মের জন্য বরাবর তাকে বিজয়ী করে৷ এভাবেই মানবতার মূর্তপ্রতীক মহাত্মাগান্ধীর জন্ম মাটিকে বিষাক্ত সাম্প্রদায়ীকতার শয়তানী সূরা দিয়ে কলুষিত করা হয়৷

আগামীতে কম্যুনিটির শয়তান

চলবে->>>>

—————————————————————————————————

দেশ,প্রবাস,সমাজ, কম্যুনিটি তে সময়ে সময়ে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা ও কল্পনার সমন্বয়ে সৃষ্টি শয়তানের ডায়রী-Organized Satanic Act !” একটি রসাত্মক রচনা ।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*