(২৫)ওবামাদের উত্থান ও ইস্রাইলের ২য় চিন্তা

সিনোপসিস (৫):ওবামাদের উত্থান ও ইস্রাইলের ২য় চিন্তা-মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মহা ক্ষমতাধর মনে হলেও একটি জায়গায় তার ক্ষমতা যে খুবই সীমিত তা বিশ্ববাসীর জানা । ইসরাইলী লবিং গ্রুপের কাছে মার্কিনী ক্ষমতা পুরোদমে জিম্মি- আর জিম্মি বলেই আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি , মিডল ইষ্ট নীতি , যুদ্ধনীতি  সবই পরিচালিত হয় ইসরাইলী লবিং গ্রুপের  ইচ্চায় । তাই নির্বাচনের আগে থেকেই প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে ইস্রাইলের সূরে গান গেয়ে গেয়ে মসনদে বসতে হয় । সত্যিকার অর্থে কি অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে এই কাজটি করে থাকেন।

তবে বিগত ৪ বছরে ইস্রাইলী ইচ্ছের প্রতি ফলন ছিল গৌন ।  ইস্রাইল বার বার চেষ্টা করেও আমেরিকাকেও নতুন কোন যুদ্ধে জড়াতে পারেনি । অবামার প্রতি নেতানিয়াও র গোস্বা বার বার প্রকাশ হয়ে পরেছে । ৪ বছরে ওবামা একবারোও ইস্রাইল ভিজিট  না করা রমনির নির্বাচনী প্রচারাভিযানের অন্যতম উপাত্ত ছিল । অবামার হাত পা বন্দি তবু ও নিজের প্রচেষ্টায় ইস্রাইলের কাছ  থেকে একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব বজায় রেখে চলেছেন । কিন্তু এই ব্যতিক্রম হচ্ছে কেন ? প্রথমতঃ ওবামার দেহে  রয়েছে এক ধরনের ব্যাতিক্রমী রক্ত, এই রক্ত শুধূই কালোদের রক্ত নয় , এর সাথে মিশে আছে শত শত বছরের ইসলামী সংস্কৃতি আর সভ্যতায় লালিত বিশ্বাসীদের রক্ত । সূতরাং রক্তের প্রতিক্রিয়া তো হবেই , জিন তো তার আপন নিয়মের ব্যাত্যয় ঘটাবে না । ইস্রাইল তা বেশ ভাল করেই টের পেয়ে গেছে , তাই বিগত ইলেকশনের আগে ইস্রাইলের  সকল সংবাদ মাধ্যম ছিল ওবামার বিরূদ্ধে সরব । সমগ্র আমেরিকা জুড়ে ওবামা বিরূধী প্রচারনায় প্রো-ঈস্রাইলীরা পালন করেছে মূখ্য ভুমিকা । ওবামার ২য় বার বিজয়ের ঠিক পূর্ব মূহুর্তে ইস্রাইলী প্রধান মন্ত্রীর আত্মরক্ষা  নির্ভর  বক্তব্য ইস্রাইল অন্যের উপর ভরসা না করে নিজেরাই নিজেদের সিকিঊরিটির দায়ীত্ব নিতে সক্ষম ছিল ২য় চিন্তা র ঈংগিত । ঈস্রাইল বুঝতে পেরেছে আগামী ৪ বছর আমারিকার উপর তেমন ভরসা করা যাবে না , ৪ বছর পর নিজেদের একজনকে ক্ষমতায় বসানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে । কিন্ত কথা হচ্ছে  ৪ বছর পর যদি আরেক ওবামা চলে আসে ?  তাই  ইস্রাইল ২য় চিন্তা হওয়া উচিত পজিটিভ , মানবতার পক্ষে, জাতিসংঘের রায় অনুযায়ী , প্যালেস্টাইন জাতি ও রাস্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধার, গোলান মাল ভূমি হস্তান্তরের এবং  সকলের সাথে শান্তি পূর্ন সহাবস্থানের; তা না হলে ভবিষ্যত যে কঠিন হবে তা নিশ্চিত !

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*